সঠিক বর্তার সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হল কথা; এম এম ই আর সি, মুম্বাই-এ বৎসরের প্রথম বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় বিচারক এবং জ্ঞানীদের মতামত
ইস্টার্ন ক্রিসেন্ট নিউজ ডেস্ক:
১৫ জুলাই ২০২৪:
মারকাজুল মা’আরিফ এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার (এম এম ই আর সি) তার পাঠ্যক্রম বহির্ভূত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রতি শিক্ষাবর্ষে তিনটি বক্তৃতা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে, যার লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তৃতার দক্ষতা বৃদ্ধি করা, এইভাবে তাদেরকে ইসলামের কার্যকর ও প্রভাবশালী পণ্ডিত হতে প্রস্তুত করা।
গত কল্য- ১৪ জুলাই ২০২৪ ইংরেজি রোজ রবিবার এম এম ই আর সি এর ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বক্তৃতা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন এম এম ই আর সি এর শিক্ষক মাওলানা সালমান আলম কাসমী, যিনি এম এম ই আর সির একটি সংক্ষিপ্ত পরিচয় প্রদান করেন এবং এর প্রতিষ্ঠাতা, মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল আল-কাসমী সাহেবের উল্লেখযোগ্য অবদানগুলি দর্শকদের কাছে তুলে ধরেন।
উক্ত অনুষ্ঠানটি ক্বারী এনামুল হুসাইন কাসিমী এর কুরআন তিলাওয়াত ও মওলানা উমর ফারুক এর নাতে পাকের মাধ্যমে আরম্ভ হয়।

প্রতিযোগিতার ফাইনালে দশজন প্রতিযোগী অংশ নেয়। সকল অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর বক্তৃতা প্রদান করেন। প্রতিযোগিতায় ছিলেন তিনজন বিশিষ্ট বিচারক: ১. মাওলানা মুহাম্মদ বুরহানউদ্দিন কাসমী, এম এম ই আর সি-এর পরিচালক, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক, পুরস্কারপ্রাপ্ত কবি ও সাহিত্যিক। ২. জনাব আশরাফ শেখ, এম বি এ এবং আইটি প্রফেশনাল। ৩. অধ্যাপক মুহাম্মদ আরিফ আনসারী, সাবু সিদ্দিক ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রাক্তন প্রফেসর এবং এম এম ই আর সির ভাইস প্রেসিডেন্ট।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও এম এম ই আর সি শাখার ইনচার্জ মাওলানা আতিকুর রহমান কাসমী। তা ছাড়া উক্ত অনুষ্ঠানে শহর মুম্বাই এবং এর বাইরে থেকে অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে এম এম ই আর সি এর প্রাক্তন ছাত্ররা উপস্থিত ছিলেন।
অংশগ্রহণকারীদের বক্তব্যের পর বিচারকগণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মূল্যবান পরামর্শ প্রদান করেন। জনাব আশরাফ শেখ সহজ ভাষা ব্যবহার করে স্পষ্টভাবে বার্তা পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রফেসর মুহম্মদ আরিফ আনসারি, বক্তৃতাকে ব্যাপক এবং প্রভাবশালী করার জন্য উচ্চারণ, উপস্থাপনা, এবং শারীরিক ভাষার কার্যকর ব্যবহারের মতো পরামিতিগুলির উপর জোর দিয়েছেন। তিনি আরো বলেন যে “কথা যোগাযোগের প্রাচীনতম মাধ্যম এবং এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কার্যকরী”।
মাওলানা মুহাম্মদ বুরহানউদ্দিন কাসমী ফলাফল ঘোষণা করার পূর্বে প্রতিযুগিদের কে কিছু পরামর্শ প্রদান করেন এবং বলেন যে, শুধু চিৎকার করে কথা বলার নাম বক্তৃতা নয় বরং বক্তার বক্তব্যে আকর্ষণীয় ও সহজ উপায়ে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা, এবং একজন আলেমের জন্য বক্তৃতার মধ্যে চিৎকার অপরিহার্য। তৎসঙ্গে তিনি ফলাফল ঘোষণা করেন, মাওলানা শাহজাদ আলম নদভী ‘সোশ্যাল মিডিয়া: এ বুন অর এ বেন’ (Social Media: A Boon or A Bane) বিষয় নিয়ে প্রথম স্থান,

মওলানা আরশাদ আনসারি ‘ইসলাম এবং সমসাময়িক বিজ্ঞান’ (Islam and Contemporary Science) বিষয়ে বক্তব্য দিয়ে দ্বিতীয়

এবং মোহাম্মদ আসাদ কাসমি তার ‘ইসলামে শিশুদের প্রতিপালন’ (Upbringing of Children in Islam) বিষয় নিয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন।

ফাইনালিস্টদের সবাইকে এক একটি সুন্দর ট্রফি ও নগদ অর্থ দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়।
অনুষ্ঠানের সভাপতি মাওলানা আতিকুর রহমান কাসমী সংক্ষিপ্ত বক্তৃতা প্রদান করেন এবং এ যুগে উলামাদের জন্য ইংরেজি ভাষার গুরুত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানের বিশিষ্ট অতিথি জনাব ফজলুর রহমান তার মতামত প্রদানকালে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, “আপনাদের বক্তৃতাগুলো এতই প্রাঞ্জল ছিল যে শুনে মনে হচ্ছিল আপনারা ছাত্র নন বরং এক এক জন প্রফেসর।”
এম এম ই আর সির এক্সট্রা কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিসের সমন্বয়ক মুফতি জসিমুদ্দিন কাসমী অতিথিদের স্বাগত জানান এবং অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে পরিচালনা করেন।
অনুষ্ঠান সফল করতে সহযোগিতা করেন মাওলানা আসলাম জাবেদ কাসমী, মাওলানা জামিল আহমদ কাসমী ও মাওলানা তৌকীর রহমানী।
অবশেষে মসজিদ মারকাজুল মাআরিফের ইমাম মাওলানা মোহাম্মদ শহীদ কাসমীর দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।
I am extremely inspired with your writing skills as smartly
as with the format in your blog. Is this a paid topic or did you modify it your self?
Either way stay up the excellent high quality writing,
it is rare to peer a great weblog like this one nowadays.