মার্কাজুল মা’আরিফ, মুম্বাইয়ে ইংরেজি বক্তব্য প্রতিযোগিতা
ইসি নিউজ ডেস্ক | মুম্বাই, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
মার্কাজুল মা’আরিফ এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার (এমএমইআরসি), মুম্বাইয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের দ্বিতীয় ইংরেজি বক্তব্য প্রতিযোগিতা উৎসাহ ও শৃঙ্খলার সাথে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিযোগিতায় বাছাইপর্ব অতিক্রম করে আসা আটজন শিক্ষার্থী সমসাময়িক ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ইংরেজি ভাষায় প্রাঞ্জল বক্তৃতা উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় মাওলানা মোহাম্মদ শফিউল্লাহ কাসিমির পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত ও মাওলানা মোহাম্মদ উমর ফারুক মন্ডল কাসিমির নাতে শরীফ পরিবেশনের মাধ্যমে। সঞ্চালক মাওলানা মোহাম্মদ তৌকির রহমানি প্রতিষ্ঠানের পরিচয় তুলে ধরেন এবং প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা বদরুদ্দিন আজমল আল-কাসেমি (দা.বা.)-এর জাতীয় ও সামাজিক অবদান বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। মুফতি জাসিমুদ্দিন কাসেমি অতিথিদের আন্তরিক অভ্যর্থনা জানান।

অনুষ্ঠানে বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন—
এমএমইআরসি এর পরিচালক ও বিশিষ্ট লেখক ও কবি মাওলানা মোহাম্মদ বুরহানুদ্দিন কাসেমি সাহেব, ভরসোয়া তিব্বিয়া কলেজের প্রফেসর মোহাম্মদ রিজওয়ান কাসেমি ও নদয়ি সাহেব এবং মহারাষ্ট্র কলেজের সাবেক শিক্ষক প্রফেসর হানিফ সাহেব।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন এমএমইআরসি এর ইনচার্জ মাওলানা আতিকুর রহমান কাসেমি এবং প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট রবি সিং।
বক্তৃতা শেষে বিচারকমণ্ডলী শিক্ষার্থীদের মূল্যবান পরামর্শ প্রদান করেন। প্রফেসর রিজওয়ান কাসেমি মাদরাসা স্নাতকদের উচ্চশিক্ষায় এগিয়ে গিয়ে স্বীকৃত ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক অবদান রাখার ওপর জোর দেন। প্রফেসর হানিফ বলেন, বক্তৃতার সফলতা অনেকাংশে উচ্চারণ ও উপস্থাপনার ওপর নির্ভরশীল।
মাওলানা মোহাম্মদ বুরহানুদ্দিন কাসেমি শিক্ষার্থীদের পারফরমেন্সের প্রশংসা করে
ফলাফল ঘোষণা করেন । এতে প্রথম স্থান অর্জন করেন *মাওলানা মোহাম্মদ*, দ্বিতীয় স্থান *মওলানা মোহাম্মদ কামরুল হুসাইন কাসেমি* এবং তৃতীয় স্থান *মওলানা সাবির আহমদ কাসেমি*

প্রধান অতিথি অ্যাডভোকেট রবি সিং উনার বক্তব্য বলেন, “বর্তমান সময়ের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিষয় নির্বাচন করা অত্যন্ত জরুরি, যাতে বিশ্ববাসী বাস্তবতা সম্পর্কে সচেতন হতে পারে।”
সভাপতির ভাষণে মাওলানা আতিকুর রহমান কাসেমি শিক্ষার্থীদের প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন এবং অতিথিদের ধন্যবাদ জানান ও উনার দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্ত হয়।
এই প্রতিযোগিতার সাফল্যের পেছনে এমএমইআরসি’র শিক্ষকমণ্ডলী মাওলানা আছলাম জাবেদ কাসেমি, মাওলানা জামিল আহমদ কাসেমি, মাওলানা সালমান আলমসহ অন্যান্য কর্মীদের নিরলস প্রচেষ্টা ছিল উল্লেখযোগ্য।